A verified digital archive preserving testimonies, martyrdom records, and pivotal events of the July–August 2024 mass uprising in Bangladesh.
Prime Minister Sheikh Hasina resigned and fled the country. Hundreds of thousands of citizens celebrated victory at Gono Bhaban and Parliament.

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় দুজন, চট্টগ্রামে তিনজন ও রংপুরে একজন রয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে আরও কয়েক শ মানুষ আহত হয়েছেন। কোটা সংস্কার আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের মধ্যে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখনো অনেক জায়গায় সংঘর্ষ চলছে। Six people were killed in clashes in Dhaka, Chittagong and Rangpur over the agitation demanding reform of quota system in government jobs. Among them, there are two in Dhaka, three in Chittagong and one in Rangpur. Several hundreds of people were injured in clashes in different parts of the country including several areas of Dhaka after noon on Tuesday. These clashes took place between the police, Chhatra League, Jubo League and supporters of the ruling party with the students involved in the quota reform movement. Clashes are still going on in many places.

সরকারি চাকরিতে কোটা-পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী চলমান কোটা আন্দোলনে যাওয়ায় এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হল থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হাফিজের বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের উপর ফের কয়েক দফায় হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ই জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মেডিকেলের ভেতরে ঢুকে ছাত্রলীগ এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের ভেতরে লাঠি-সোটাসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা ঢুকে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। পরবর্তীতে পুলিশ এবং আনসার সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। হামলা চলাকালে তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলায় অন্তত ৮০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও এই হামলায় আহত হন। সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

কোটা সংস্কারপন্থীদের চলমান আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের থামাতে মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। সংগঠনটির সভাপতি চলমান আন্দোলনটিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (১৫ জুলাই) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাওয়ার ও ছবি পোস্ট করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের ছয় শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেছে সংগঠনটির পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা। এদের মধ্যে তিনজনকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) বিভিন্ন সময়ে এসব মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীরা হলেন- ২০২০-২১ সেশনের আব্দুল বাসিত, শাকাওয়াত হোসেন সাকু, লিমন খান রানা, মোর্শেদ ইসলাম। ২০১৬-১৭ সেশনের ফারুক ও তাওহীদ ইসলাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনভর ছাত্রলীগের হামলায় দুই শতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোটা সংষ্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদুল ইসলাম। আজ সোমবার রাত ৯.৩০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, এ হামলা পরিকল্পিতভাবে হয়েছে। সরকার এ আন্দোলন সহিংসভাবে বন্ধের চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি জানান, আগামীকাল বিকেল ৩.০০ টায় দেশের সব ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে। এরপর চলমান অবরোধ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এরই জেরে আজ রবিবার রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হতে দেখা গেছে।